ফুটবল খেলায় হেড নিষিদ্ধ। পাল্টে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবল খেলা

কিন্তু হেড ছাড়া ফুটবল কেমন হতে পারে। স্কটল্যান্ড প্রথম ইউরোপীয় দেশ যারা শিশুদের ফুটবল খেলায় হেড করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে। তবে এর জবাব দিতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সাবেক খেলোয়াড়রা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকিতে- এমন রিপোর্ট পাওয়ার পরই স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন-এফএ এমন উদ্যোগ নিয়েছে। এটা বহু মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি করেছে যে হেড করতে পারে এমন খেলোয়াড় ছাড়া ফুটবল কেমন হতে পারে। এটা দেখার একটা উপায় হতে পারে যে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকানো, যারা ইতোমধ্যেই তরুণদের ফুটবলে হেড করাকে নিষিদ্ধ করেছে।

তারা কী নিয়ম চালু করেছে?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দশ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড়দের বলে হেড করা শেখানো হবেনা এবং ম্যাচে ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা যাবেনা। কোন খেলোয়াড় ইচ্ছাকৃতভাবে হেড করলে প্রতিপক্ষ দল ফ্রি কিক সুবিধা পাবে একই জায়গা থেকে। আর গোল এরিয়াতে হলে গোল এরিয়া লাইনের সমান্তরাল থেকে ইনডিরেক্ট ফ্রি কিক সুবিধা পাবে প্রতিপক্ষ দল। ১১ ও ১২ বছর বয়সীরা শিখতে পারবে ও ম্যাচে হেড করার অনুমতি পাবে। তবে প্রশিক্ষণে এটায় জোর দেয়া হবে যে হেডিং সপ্তাহে ত্রিশ মিনিটে সীমাবদ্ধ থাকবে। নিয়মে আরও বলা হয় হেড ইনজুরি হলে খেলোয়াড় পরিবর্তন করতে হবে পর্যবেক্ষণের জন্য।

এর প্রভাব কেমন হয়েছে

তিন বছর ধরে এ পরিবর্তন হয়েছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে জানা যাচ্ছেনা। তবে এটি তরুণ খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণে আমূল পরিবর্তন এনেছে। "আমি প্রথমে সন্দিহান ছিলাম কিন্তু আমি এখন এটি করছি," বলছিলেন ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমীর কোচ টমি উইলসন। বিভিন্ন বয়সীদের মধ্যে এখন ভাগ করে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। "বয়সের সাথে যায় এমন কিছু শেখানো যেতে পারে। আপনি হালকা বল ব্যবহার করতে পারেন যাতে তারা কোনো চাপ অনুভব না করে"। এজন্য মেডিকেল প্রফেশনালদের সহায়তার কথাও বলছেন কোচরা।